আত্মঘাতী হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায় স্মার্টফোন!
Published : Monday, 4 December, 2017 at 8:32 PM, Count : 1118

আত্মঘাতী হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায় স্মার্টফোন!

আত্মঘাতী হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায় স্মার্টফোন!

যেসব টিনেজ ছেলেমেয়েরা স্মার্টফোন এবং অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের স্ক্রিনে বেশিরভাগ সময় ব্যয় করে, তাদের মধ্যে হতাশা এবং আত্মঘাতী হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা দাবি করেছেন, ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের স্ক্রিনে কাটানো সময়কে বিষণ্নতা এবং আত্মহত্যার জন্য বর্তমান সময়ের একটি বড় ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

গবেষক দলের পক্ষ থেকে ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটির টমাস জিনডার বলেন, ‘আত্মহত্যা, বিষণ্নতা, আত্মহত্যার চিন্তা-ভাবনা এবং আত্মহত্যার প্রচেষ্টাগুলোর মাধ্যমে মৃত্যুর সঙ্গে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের পর্দায় অত্যধিক সময় কাটানোর একটি সম্পর্ক রয়েছে।’ তার মতে, এই মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যাগুলো খুবই গুরুতর। বাবা-মায়ের এখন থেকেই তাদের সন্তানদের এ সমস্ত ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার নিয়ে ভাবা উচিত।

গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন যে, ৪৮ শতাংশ টিনেজার যারা ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসে প্রতিদিন পাঁচ বা তারও বেশি সময় ব্যয় করে তাদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। জার্নাল ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিক্যাল সায়েন্সে প্রকাশিত এই গবেষণার ফলাফল থেকে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে, যেসব টিনেজ ডিভাইসে বেশি সময় ব্যয় করে তারা বিভিন্ন কারণে জীবনে অসুখী। গবেষণায় দেখা যায়, যেসব টিনেজ ক্রীড়া এবং ব্যায়ামের মতো অফ-স্ক্রিন কার্যক্রমের ওপর মনোনিবেশ করেন, যারা বন্ধুদের সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলেন, নিয়মিত হোমওয়ার্ক করে এবং উপাসনালয়ে যায়, তারা অনেক বেশি সুখী।

আমেরিকান রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) এক তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সাল থেকে ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সী টিনেজারদের মধ্যে বিষণ্নতা এবং আত্মহত্যার হার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে মেয়েদের মধ্যে। সিডিসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আত্মহত্যার হার ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বয়স্কদের মধ্যে ৩১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, কিশোর মেয়েদের মধ্যে এ আত্মহত্যা হার ৬৫ শতাংশ এবং তীব্র বিষণ্নতায় ভোগার হার ৫৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

- মুঠোয়বিশ্ব ডেস্ক



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলহাজ্ব মিজানুর রহমান, উপদেষ্টা সম্পাদক: এ. কে. এম জায়েদ হোসেন খান, নির্বাহী সম্পাদক: নাজমূল হক সরকার।
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : মুন গ্রুপ, লেভেল-১৭, সানমুন স্টার টাওয়ার ৩৭ দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।, ফোন: ০২-৯৫৮৪১২৪-৫, ফ্যাক্স: ৯৫৮৪১২৩
ওয়েবসাইট : www.dailybartoman.com ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Developed & Maintainance by i2soft